ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথার কারণ ও দ্রুত মুক্তির উপায়

এখন অধিকাংশ মানুষ পিঠ বা কোমর ব্যথা নিয়ে ভূকছেন। ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা কি এবং ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথার কারণ ও দ্রুত মুক্তির উপায় সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আমাদের আর্টিকেলটি আপনার সহায়ক হবে। আজকে আমি আপনাদের জানাবো ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হলে করণীয়। ফলে ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথার কারণ ও দ্রুত মুক্তির উপায় জেনে উপকৃত হবেন। তাহলে চলুন এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমার ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথার কারণ ও দ্রুত মুক্তির উপায় সহ আরো কিছু বিষয় সম্পর্কে জেনে নিই।

ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথার কারণ ও দ্রুত মুক্তির উপায়

ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথার কারণ ও দ্রুত মুক্তির উপায় সহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আরো কিছু আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করব। এই সকল বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। আশা করি খুব উপকৃত হবেন।

কোর্স সূচিপত্রঃ 

ভূমিকা

ব্যাক পেইন শব্দটি আজকাল আমরা প্রায় শুনে থাকি। কম বেশি সবারই ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা বা মাজার ব্যথা হতে পারে। বার্ধক্যের কারণে এ ব্যথা আরো বাড়তে পারে। পৃথিবীর ৭৫ ভাগ মানুষ ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা বা পিঠ ব্যথায় ভোগছে। এর মধ্যে ৯০ ভাগ ব্যথার কারণ যান্ত্রিক যা সহজেই নিরাময় যোগ্য। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথার কারণ ও দ্রুত মুক্তির উপায়।

লো ব্যাক পেইন কি

আমরা সাধারণভাবে কোমর ব্যথাকে লো ব্যাক পেইন বলে থাকি।এই ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা বা পিট ব্যথা সাধারণত নিচের পিঠের পেশি, লিগামেন্ট, মেরুদন্ড, কশেরূকার সমস্যা থেকে সৃষ্টি হয়। পিঠের পেশিতে চাপ পড়া এবং পিঠের কাঠামোগত সমস্যা জন্যই ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা বা পিঠ ব্যথা বেশি হয়ে থাকে।

পিঠ বা কোমর ব্যথার বিপদ চিহ্ন

  • হঠাৎ গুরুতর দুর্ঘটনা কবলিত হওয়া।
  • পিঠ অথবা কোমরের কোথাও ফুলে যাওয়া কিংবা বেঁকে যাওয়া।
  • স্বাভাবিক প্রস্রাব-পায়খানার চাপ ধরে রাখতে না পারা।
  • প্রস্রাব করতে সমস্যা হওয়া বা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায়।
  • যৌনাঙ্গ অথবা নিতম্বের আশেপাশ বিশেষ করে পায়খানার রাস্তার চারিদিকে খোঁচা খোঁচা অনুভব হওয়া।
  • হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া (ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে)।
  • কোমরের নিচ থেকে দুর্বল হয়ে যাওয়া।
  • বুকে ব্যথা।
  • জ্বর আসা।

ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথার কারণ

কঠোর পরিশ্রম বা কাজের চাপ
কঠোর পরিশ্রম বা কাজের চাপের ফলে ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হতে পারে। ভারী বস্তু তোলার সময়, পিঠের টান খাওয়া বা মোচর লাগা থেকেও ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হয়ে থাকে। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত একটু শরীরচর্চা, বিশ্রাম বা বিরতি নিলেই ঠিক হয়ে যায়।

মেরুদন্ডের স্টেনোসিসঃ
অনেক ক্ষেত্রে আমাদের মেরুদন্ডের স্টেনোসিস বা নতুন হার বৃদ্ধি পেলে ব্যাক পেইন হয়। হাড়ের এই বৃদ্ধি মেরুদন্ডের স্নায়ুগুলোকে চাপে ফেলে, ফলে ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হয়। এ অবস্থায় মানুষের চলার ক্ষমতা বাধাগ্রস্ত করে ফলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়।

টিউমার ও ইনফেকশনঃ
মেরুদন্ডে টিউমার বা ইনফেকশন হওয়া বিরল তবে মারাত্মক সংক্রমনের ফলে কশেরুকার উপর আঘাত আনতে পারে এটি অস্টিওমাইলিটিস নামে পরিচিত। টিউমার কিংবা হাড়ের মধ্যে ফুলে যাওয়ার ফলে ব্যথা হতে পারে। যদি কারো ক্যান্সারের অভিজ্ঞতা থাকে এবং ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হয় তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


ডিস্ক ইনজুরি বা অবক্ষয়ঃ

বয়স অনুসারে সোজা বা গোলাকার ডিস্কগুলো প্রতিটি কশেরুকার মধ্যে ফিট হয়ে থাকে কিন্তু তারা কখনো তাদের ক্ষমতা হারিয়ে ফেললে একটি ব্যাকবোন অন্যটির বিরুদ্ধে ঘর্ষণ তৈরি করে তখন ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হতে পারে। চিকিৎসকের ভাষায় এটিকে অবক্ষয়যুক্ত ডিস্ক রোগ বলা হয়। আবার কখনো কখনো ডিস্ক এর বাইরের আবরণ থেকে জেলির মত কিছু বেরিয়ে আসে এটিকে হার্নিয়েটেড ডিস্ক রোগ বলে। অনেক সময় বাইরের রিংয়ের সঙ্গে ফ্লুইডের চাপ সৃষ্টি হয়েও ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হয়।

ফ্র্যাকচারঃ
সাধারণত পড়ে গিয়ে বা অন্য যে কোনো দুর্ঘটনার সময় আপনার কশেরুকা ভেঙ্গে যেতে পারে তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হাড় ক্ষয় রোগ অস্টিওপরোসিসের ফলস্বরূপ ফ্র্যাকচারগুলো বিকাশ লাভ করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আপনার কশেরুকা চূর্ণ-বিচূর্ণ হলে চলাফেরা করার সময় বা হাড়ের স্নায়ু সংকোচনের সময় মাঝারি থেকে তীব্র ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হতে পারে।

প্রান্তিককরণ সমস্যাঃ
ব্যাকবোন বা মেরুদন্ডের একটি অস্বাভাবিক বক্ররেখা প্রায় শৈশব বা কৈশরে বিকাশ লাভ করে থাকে। যৌবনে বা তার পরবর্তী সময়ের জন্য এটি ব্যথার কারণ নাও হতে পারে। কিন্তু যখন এটি মেরুদন্ডের উপর ক্রমবদ্ধমান চাপ শুরু করে, তখন ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হতে পারে। এর ফলে আপনার পেছনের হাড়গুলো যথাযথ অবস্থান থেকে সরে যেতে পারে এবং একে অপরের অংশ পর্যন্ত প্রসারিত না হওয়া অবধি সরে যেতে পারে। প্রান্তিককরণের সমস্যা শুধু পেছন থেকে শুরু হয় এমন নয় এটি আপনার পা বা গোড়ালি থেকেও শুরু হতে পারে।

অন্যান্য স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যাঃ
ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথার জন্য শুধু পেছনের বেশি বা জয়েন্টগুলোর সমস্যায় যে দায়ী তা নয়, অনেক ক্ষেত্রে শরীরের অন্য অঙ্গ গুলোর সমস্যাও প্রভাবিত করে। যেমন কিডনিতে পাথর বা সংক্রমণ ও অগ্ন্যাশয়ের কারণেও ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হতে পারে। গর্ভবতী নারীদের ও ঘনঘন ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা দেখা দিতে পারে। আবার অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ক্লান্তি থেকেও ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হতে পারে।

ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা থেকে দ্রুত মুক্তির উপায়

  • ব্যাক পেইন বা কোমরে ব্যথা হলে ট্রিট সোজা হয়ে চলাফেরা ও বসার অভ্যাস করবেন।
  • ঘুমানোর সময় দুই পায়ের নিচে বালিশ দিয়ে পা উঁচু রেখে ঘুমাবেন।
  • চেয়ারে বসে কাজ করার সময় বোসবার জায়গাটা যেন উঁচু থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।
  • ভারী জিনিসপত্র যেমন পানির বালতি, মালামাল সহ বস্তা বা ব্যাগ বহন করা থেকে বিরত থাকবেন।
  • মোটরসাইকেল বা বাইসাইকেল চালানোর কারণে ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা বেশি হতে পারে এক্ষেত্রে মোটরসাইকেল বা বাইসাইকেল চালানো পরিহার করবেন।
  • ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হলে ভালো হওয়া জন্য বিশ্রামের কোন বিকল্প নেই।
  • ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হলে সেঁক দিলে অথবা বরফ দিলে উপকার পাবেন।
  • ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হলে পেইন কিলার ওষুধ খেতে পারেন।
  • ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা সারাতে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করবেন এবং ঔষধ সেবন করবেন।

ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হলে করণীয়

বালিশ ব্যবহারঃ
ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হলে আপাতত বালিশ সরিয়ে রাখুন। বালিশে মাথা রেখে ঘুমালে শরীরের সঠিক ভঙ্গির অভাবে ব্যথা আরো বেড়ে যায় তাই ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা কমাতে আপাতত মাথার বালিশ ছাড়া ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে

শরীর চর্চাঃ
ব্যথা কমে যাওয়ার ২/৩ সপ্তাহ পর প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করা উচিত। হাঁটা, ইয়োগা বা যোগব্যায়াম ও সাঁতার কাটার মতো ব্যায়ামও করতে পারেন। এতে করে পেট, পিট ও কোমরের পেশি শক্ত হয় এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। শরীর সুস্থ রাখতে চাইলে শরীরচর্চা বাদ দিলে চলবে না প্রতিদিন কিছু ব্যায়ামের অভ্যাস করতে হবে এবং নিয়মিত এসব ব্যায়াম করলে ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কোমর ব্যথায় উপশম পাওয়া যায় এমন ব্যায়াম চর্চা করুন। ফলে ব্যথা তাড়াতাড়ি সেরে যায়।

কাজের বিরতিঃ
একটানা কোন জায়গায় দুই ঘন্টার বেশি সময় ধরে বসে না থেকে সবচেয়ে ভালো হয় এক ঘণ্টা পরপর কিছুক্ষণের বিরতি নেওয়া। এজন্য কাজের ফাঁকে ফাঁকে একটু হাঁটুন চা কিংবা কফি পান করুন, পানি পান করুন অর্থাৎ শরীরচর্চা করুন এক কথায় কাজের বিরতি নিন। ২/৩ দিন বিশ্রাম নেওয়ার পরে দৈনন্দিন কাজে ফিরে যেতে পারেন। তবে মনে রাখবেন পিঠ ও কোমর ব্যথার ছয় সপ্তাহের মধ্যে ভারী কাজ কিংবা পিঠ ও কোমর বাঁকাতে হয় এমন কাজ করবেন না । এতে দ্রুত ব্যথা সেরে যাবে।

সেঁক দেওয়াঃ
গরম বা ঠান্ডা সেঁক নিলে সাময়িকভাবে আরাম পেতে পারেন। তবে প্রথম ২/৩ দিন ঠান্ডা সেঁক দিয়ে এরপর গরম সেঁক দেওয়া ভালো। ঠান্ডার সেঁক দেওয়ার জন্য মোটা তোয়ালে বা গামছা দিয়ে বরফ মুড়ে অথবা ফ্রোজেন সবজির প্যাকেট ব্যথার স্থানে লাগাতে পারেন আর গরম সেঁকের জন্য একইভাবে হট ওয়াটার ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন তবে সেক্ষেত্রে খুব সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

তেল মালিশঃ
ব্যাক পেইন বা কোমরে ব্যথা হলে সাথে সাথে পেইন কিলার না খেয়ে অলিভ অয়েল এর সঙ্গে সামান্য লবণ মিশেয়ে কোমরে আলতোভাবে মালিশ করতে পারেন। এছাড়া সরিষার তেল কিংবা তিলের তেলও কোমরে ব্যবহার করতে পারেন। তবে জোরে জোরে মালিশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।


ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা মুক্ত থাকতে অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলুন ও শাক সবজির মতো সুষম খাবার খান। ওজন বেড়ে যায় এমন খাবার এড়িয়ে চলুন। ওজন কম হলে পিঠের উপর চাপ কম পড়ে ফলে ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা কম হয়।

শরীরের স্থিতিস্থাপকতাঃ
মাঝে মাঝে শরীর ছেড়ে দিন এতে শরীরে স্থিতি স্থপকতা বজায় থাকে বায়াম, অন্যান্য শারীরিক পরিশ্রম ও ঘুমানোর আগে শরীর কিছু সময়ের জন্য টানটান করে রাখুন এটি ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা মুক্ত রাখতে সাহায্য করবে।

ইতিবাচক মনোভাবঃ
সামান্য একটু ব্যথাতেই মনোবল ভেঙ্গে পড়লে চলবে না। মানসিকভাবে দৃঢ় থাকতে হবে। পিঠ ও কোমর ব্যথা হওয়ার সত্বেও যারা ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে স্বাভাবিক জীবনধারা বজায় রাখে তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।

ধূমপানমুক্ত জীবনঃ
ধূমপান শুধু হৃদপিন্ডের ক্ষতি করে না এটি ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথার কারণ হতে পারে। ধূমপানের কারণে মেরুদন্ডের নিচের দিকে রক্ত স্রোত কমে যায় ফলে ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে ধূমপায়ীদের চেয়ে অধূমপায়ীদের ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথার হার কম।

ব্যথানাশোক ঔষধ সেবনঃ
নাপা বা প্যারাসিটামল অথবা আইবুপ্রোফেন এর মত ব্যথা নাশক ঔষধ সেবন করতে পারেন। এছাড়া ব্যাথা নাশক ক্রিম অথবা জেল ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে প্যাকেটের ভেতরে থাকা নির্দেশিকা ভালোভাবে পড়ে সেই অনুপাতে ক্রিম বা জেল লাগাবেন। উল্লেখ্য, ব্যথানাশক ঔষধ সেবনের আগে সেটি আপনার জন্য নিরাপদ কিনা সে সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। এ বিষয়ে সন্দেহ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথানাশক ঔষুধের নাম

  • ডাইক্লোফেনাক
  • ম্যাক্সরেল ট্যাবলেট
  • নাপা বা প্যারাসিটামল অথবা আইবুপ্রোফেন
  • রিয়েক্টিন প্লাস ট্যাবলেট ৫০ এমজি/৫০০এমজি
  • এসজিপিরিন ট্যাবলেট ৫০ এমজি/৫০০এমজি
  • ভিভিয়ান প্লাস ট্যাবলেট ৫০ এমজি/৫০০এমজি
  • ডিকোপিন ট্যাবলেট ৫০ এমজি/৫০০এমজি
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এসব ব্যথা নাশক ঔষধ বেশি খাওয়া ভালো নয়। এসব ঔষধ খাওয়ার আগে অবশ্যই গ্যাসের ঔষধ সেবন করে নিবেন।

ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হলে যা করবেন না

  • পিঠের উপর চাপ পড়ে এমন ভাবে ব্যাকা বা ভাঁজ করে বসে থাকবেন না।
  • ভারি মালামাল বহন করবেন না।
  • বাইসাইকেল বা মোটরসাইকেল চালাবেন না।
  • ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা বেশি হয় এমন কাজকর্ম করবেন না।
  • ঘুমানোর সময় পা নিচু করে ঘুমাবেন না।
  • চেয়ারে বসে দীর্ঘক্ষণ কাজ করবেন না।
  • ব্যথা সারাতে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যায়াম করবেন না।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ব্যথা নাশক ঔষধ সেবন করবেন না।

উপসংহার

পরিশেষে আমরা বলতে পারি ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা একেবারে অবহেলার কারণে অনেক বড় ক্ষতি হতে পারে সেজন্য অল্পতে এর প্রতিকার করণীয় এবং বর্জনীয় উপদেশগুলো মেনে ডাক্তারের পরামর্শে চললে দ্রুত সেরে ওঠা যায় এবং চিরতরে মুক্তি পাওয়া যায়। সেজন্য আমাদের সকলকে সচেতন ও সজাগ থাকা প্রয়োজন। আশা করছি আপনারা ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পেরেছেন তারপরও যদি এ বিষয়ে আরো জানার আগ্রহ থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। এরকম আরো তথ্যমূলক আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমাদের সাথে থাকুন। আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।




Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url